Blogs

ভক্তানগভ ও তার “ফ্যানটাসটিক রিয়েলিজম”

স্তানিস্লাভস্কির নাম আমরা যতটা জানি তার চেয়ে অনেক কম জানি মায়ারহোল্ডের নাম, এবং আরো কম জানি ভক্তানগভের নাম। অথচ এই তিন বিশ্বনাট্য প্রতিভা একই সাথে-একই সময়ে-একই স্থানে তাদের নাট্যজীবন পার করেছেন। তিন জনই বিশ্ব থিয়েটারে অমর হয়ে আছেন তাদের উদ্ভাবিত থিয়েটার রীতির কারণে। আমরা শুনেছি এবং মানিও একটি মহীরুহের নীচে নাকি আরেকটি মহীরুহ কখনোই জন্মায় না। কনস্তানতিন স্তানিস্লাভস্কি দেখিয়ে দিয়েছেন, পরমত সহিষ্ণুতা ও বিশাল হৃদয় থাকলে স্তানিস্লাভস্কির মত বিশ্ব নাটকের অন্যতম বৃহৎ মহীরুহের পৃষ্ঠপোষকতায় একই ছাদের নীচে ভসভোলড মায়ারহোল্ড ও ইউজিন ভক্তানগভের মত বটবৃক্ষও জন্মায়। কনস্তানতিন স্তানিস্লাভস্কি ভসভোলড মায়ারহোল্ড অথচ কী আশ্চরযের বিষয় মায়ারহোল্ড বা ভক্তানগভ কিন্তু কখনোই স্তানিস্লাভস্কির পথে হাঁটেননি বরং বিপরীত মতই প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এর থেকে আমাদের চেনা মহীরুহদের অনেক শেখার থাকলেও সে প্রসঙ্গে না গিয়ে সরাসরি মূল

Read More »

তু লাল পাহাড়ির দ্যাসে যা; গানের বৃত্তান্ত : নানা কণ্ঠে, নানা রুপে

তু লাল পাহাড়ির দ্যাসে যা- অনেক পছন্দের অনেক চেনা একটা গান। সবারই এত পছন্দের এই গান, যে এই গানটির আছে অন্তত সাড়ে তিন কোটি ভার্সন। এই নানা রুপের ভিড়ে এই গানটির আসল স্বাদ খুঁজতেই এই লেখা। এটা যতটা না লেখা তার চেয়ে অনেক বেশি আসলে শোনা। আরও সোজাসাপ্টা করে বললে নিজের পছন্দের ভার্সনগুলোর সংকলন এই ব্লগ। পছন্দ গুলো খুব বেশি আটোসাটো নয়, হাওয়া বাতাস খেলে, চাইলে শ্রোতা-পাঠকরা ঘুড়তে ঘুড়তে একটু গা এলিয়ে বসতেও পারবে। খুলি তাহলে সুতলি দিয়ে বাঁধা বেড়ার দরজা। ধাক্কা দিলেও খোলে, সব দেখাও যায়, তবুও অতিথীর সম্মান বলে কথা। প্রথম রুপ। অনেক সোজাসাপ্টা করে গাওয়া এই রুপ। অনেকটা সরলতা আছে। বিষাদ বা আনন্দ কোনটাই তীব্র হয়না এখানে। অনেকটা যেন মেনে নেয়ার নিরুত্তাপ আছে গায়কীতে। এবারেরটা একেবারে বাউলের

Read More »

হ্যান্স জিমার- সিনেমা আর সংগীতের যুগলবন্দীর ঈশ্বর

সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর একটি বিশাল ভূমিকা পালন করে ফিলিং বা অ্যাটমোস্ফেয়ার তৈরী করার জন্য। সিনেমাকে এমপাওয়ার করে ভীষন শক্তিশালী করে ভাল ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর। আবার বাজে স্কোর ভাল ভিজ্যুয়ালকেও নষ্ট করে দিতে পারে নিমেষেই। মেধাবী মুভি কম্পোজারদের তাই ভীষণ গুরুত্ব দেন পরিচালকরা। এমনই এক মেধাবী ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর কম্পোজার নিয়ে কথা বলবো আজ। হ্যান্স জিমার ১৯৫৭ এর ১২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করা এই জার্মান কম্পোজার এর বয়স বর্তমানে ৬৩ বছর। দাপিয়ে স্কোর করে চলেছেন তিনি এখনও। ক্রিস্টোফার নোলান এর বহুল প্রতীক্ষিত ইন্টারস্টেলার এর মিউজিকও করছেন তিনি। সাথে স্পাইডার ম্যান সহ অনেক অনেক তো আছেই। প্রায় শতাধিক সিনেমা ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর করা হ্যান্স জিমার পুরষ্কারও পেয়েছেন অনেক। তার ক্যারিয়ারের প্রথম জীবন লন্ডনে শুরু হলেও অল্প কিছুদিন পরেই তিনি আমেরিকায় স্থায়ী হয়ে যান। তার অসাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ডের

Read More »

সর্বকালের সেরা বাংলা নায়ক উত্তম কুমারের লিপে সেরা ১৫ টি গান

সর্বকালের সেরা বাংলা নায়ক উত্তম কুমারের লিপে সেরা ১৫টি গান উল্লেখ করলাম। আপনার পছন্দেরটা বাদ পড়লে যোগ করে দিয়েন। একটা হিন্দী গান বোনাস হিসাবে আছে। প্রতিটি গানের পূর্ণাঙ্গ তথ্যও দিয়েছি। সেরা কোয়ালিটির ভিডিও টা বেছে নিয়েছি। উত্তম প্রেমিকদের এই সংকলনটি ভাল লাগলে আমার শ্রম স্বার্থক হবে। দীপংকর দীপন ৩০.৮.২০২০ ১. আমি চেয়ে চেয়ে থাকি সারাদিন ১৯৬৩ সালের ছবি দেয়া নেয়া ছবির গান। শ্যামল মিত্র গেয়েছেন- সুর ও সঙ্গীত ও ছিল তার। গানের কথা গৌরী প্রসন্ন মজুমদারের। ছবিটির পরিচালক ছিলেন সুনীল বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তম কুমার ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তনুজা, পাহাড়ী স্যান্যাল, কমল মিত্র, তরুন কুমার প্রমুখ। আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন আজ ঐ চোখে সাগরের নীল আমি তাই কি গান গাই কি বুঝি মনে মনে হয়ে গেল মিল কবরীতে ঐ

Read More »

কান্টি মিউজিকের প্রবাদ পুরুষ কেনি রজার্স

কেনি রজারস আজ মারা গেছেন। না করোনায় না – ৮১ বছর বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যু। তবে তিনি মারা গেছেন জর্জিয়ায়- সেখানে জরুরী অবস্থা চলছে করোনার কারণে তাই তার ফিউনারেল ও কোন অনুষ্ঠান হচ্ছে না সেখানে। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- করোনার প্রকোপ কমলে তা করা হবে। তার মৃত্যুতে ব্যপক জনসমাগম হবার কথাই ছিল। কারণ তিনি আমেরিকান কান্ট্রি মিউজিকের প্রবাদ পুরুষ- ঈশ্বর।   ৭০ ও ৮০ এর দশকে টপ চার্টে থাকা এই মানুষটার গানগুলো মুখে মুখে ফিরতো। তিনবার গ্র্যামিও জিতেছেন তিনি। যাকে সংগীতের অস্কার বলা হয়। তার দি গ্যাম্বলার দিয়ে যে জোয়ার শুরু তা চলেছে ১৯১৭ অব্দি। তারা মায়াবী কণ্ঠে মাতিয়ে গেছেন পুরো বিশ্বকে। অদ্ভুৎ হাস্কি গলার এই কান্ট্রির সম্রাট জন্ম গ্রহণ করেছিলেন টেক্সাসে ১৯৩৮ সালে, গান শুরু করেছেন ১৯৫৭ সালে। কান্ট্রির

Read More »

ইনসেপশনে স্বপ্ন বাস্তবতা এবং অদৈতবেদান্ত প্রসঙ্গ

ইনসেপশন কে চিনিয়ে দেবার কিছু নেই। আর যারা ইনসেপশন সস্পর্কে জানেন না, ভাবেন না – তাদের জন্য এই লেখাও নয়। তাই মুভির পরিচয়ে না গিয়ে সোজাসুজি প্রসঙ্গে আসি। পুরো ছবিতে আমরা দেখি কব ম্যালকে বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে যে ম্যাল আসল পৃথিবীকে স্বপ্ন ভেবে ভুল করছে। ম্যাল তার ধারণায়ই অনড় থাকে সে কারণে ম্যাল আত্মহত্যা করে, তার নিজের আসল পৃথিবীতে ফেরত যাবার জন্য। কব এর অপরাধবোধটা সেখানেই কারণ ম্যালকে সেই শিখিয়েছে স্বপ্নকে বাস্তব ভাবতে শেখা। যেটা সর্বদা তাড়িয়ে বেড়ায় কবকে। যেকারণে কব তার নিজের স্বপ্নের জগতে নিরাপদ না। তার তৈরী করা জগতে ম্যাল এসে পুরো প্ল্যানটা উল্টো পাল্টা করে দেয়। ম্যালকে সত্যিটা বোঝানোই এই ফিশার মিশনের মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাল চরিত্রে Marion Cotillard ইনসেপশন নিয়ে আছে নানা প্রশ্ন?

Read More »